October 27, 2019
ক্ষমা পেলেন কলারোয়া লাল্টু ও কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মেহেদি: টেনশনে অন্যরা

আলোর পরশ নিউজ:। সাতক্ষীরা:  সম্প্রতি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বীতার অভিযোগে সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ৪৭(ক) ধারা অনুযায়ী জেলার বেশ কয়েকজন নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। এরমধ্যে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মোর্শেদ, কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু, আশাশুনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. শহিদুল ইসলাম পিন্টু, কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদিসহ বেশ কয়েকজনের নাম রয়েছে। কারণ দর্শানোর নোটিশপ্রাপ্তদের মধ্যে কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু এবং কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরাজিত করেন। এছাড়া অন্যরা পরাজীত হয়েছেন। নির্বাচনের সময় প্রচার ও ভোট প্রার্থনা করার সময় এসব প্রার্থীরা দলীয় প্রার্থীর কঠোর সমালোচনা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে খোদ কেন্দ্রের হাতে। যে কারণে তাদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। নির্বাচনে পরাজীত হওয়ার পর এসব নেতারা বহিস্কার আতঙ্কে হাইভোল্টেজ টেনশনে আছেন।
এদিকে কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু ও কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হলেও তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডের কথা স্বীকার করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি দেশরতœ শেখ হাসিনা এমপি’র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা ও ভবিষ্যতে সংগঠনের গঠনতন্ত্র, নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কোন কার্যকলাপে সম্পৃক্ত হবেন না মর্মে লিখিত অঙ্গিকার ব্যক্ত করায় তাদের ক্ষমা করা হয়েছে বলে দলীয় সূত্র জানায়।
একই সাথে ভবিষ্যতে সংগঠন বিরোধী কোন কর্মকান্ডে লিপ্ত হলে তা ক্ষমার অযোগ্য বলে গণ্য হবে বলে জানানো হয়।
গত ২১ অক্টোবর দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে এ খবর জানানো হয়েছে।

More News


সম্পাদক র্কতৃক প্রকাশিত

e-mail: alorparosh@gmail.com