February 7, 2019
মিয়ানমার থেকে আরও ৪০ বৌদ্ধ শরণার্থীর অনুপ্রবেশ

আলোরপরশ   রিপোট:  বান্দরবান সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারের আরও ৪০ বৌদ্ধ শরণার্থী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বুধবার বিকালে জেলার রুমা উপজেলার রেমাক্রী প্রাংসা সীমান্তে অনুপ্রবেশ করে তারা। এর আগে ১৬৩টি পরিবার বাংলাদেশ সীমান্তের চাইক্ষাং পাড়ায় অবস্থান নেয়। নতুন করে এ ৪০ জনের প্রবেশের পর শরণার্থীর সংখ্যা দাড়ালো ২০৩ জনে। বর্তমানে এসব শরণার্থীরা চাইক্ষ্যং পাড়ার কাছে সীমান্ত এলাকায়  খোলা জায়গায় ত্রিপল টেনে তাঁবুর মতো করে বসবাস করছে। রেমাক্রী প্রাংসা ইউপি  চেয়ারম্যান জিরা বম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আশপাশের পাড়াগুলো থেকে খাবার দিয়ে এলাকাবাসী সহায়তা করলেও তীব্র শীতের কারণে শিশু ও বয়স্করা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।

এদিকে সীমান্তে শরণার্থীদের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে সেখানে সেনাবাহিনী ও বিজিবির সমন্বয়ে একটি পর্যক্ষেণ টিম পাঠানো হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তা বাহিনীর বেশ কয়েকটি টহল দল সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করছে।

বুধবার হেলিকপ্টারে করে এসব সদস্যদের রুমার রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাহেদুর রহমান জানান, সীমান্ত এলাকায় শরণার্থীদের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সেখানে নিরাপত্তা বাহিনীর টিম পাঠানো হয়েছে। শরণার্থীদের মনোভাব জানার পর সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সঙ্গে কথা বলে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, গত শনিবার মিয়ানমারের চীন রাজ্য থেকে ১৬৩ জন বৌদ্ধ শরণার্থী পার্বত্য জেলা বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেমাক্রী প্রাংসা ইউনিয়নের চাইক্ষাং সীমান্তের শূন্যরেখায় (নোম্যান্স ল্যান্ড) অবস্থান নেয়। এরপর তারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে। বুধবার আরও ৪০ জন সেখানে জড়ো হয়।

ডিসেম্বর থেকে মিয়ানমারের রাখাইন ও চীন রাজ্যে সহিংসতার খবর পাওয়া যায়। এর পর থেকে আতঙ্কে খুমি, খেয়াং, বম ও রাখাইনসহ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকজন সীমান্ত পথে বান্দরবান দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছে। এ ঘটনায় বান্দরবান ও কক্সবাজার সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিজিবি।

একই রকম সংবাদ


আলোর পরশ ( সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক প্রকািশত) ৩০২/১-এ-নতুন পল্টন ঢাকা ১০০০. http://alorparosh.com/

Copyright © 2017 alorparosh.com. All rights reserved.